কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬ এ ১০:৪৩ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ১৪-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১৪-০৫-২০২৭
শেডের চালে ভেজা চট, বস্তা বা খড় বিছিয়ে দিন এবং দিনে কয়েকবার পানি ছিটিয়ে দিন।
খামারে স্প্রিংকলিং (Sprinkling) এবং ফগিং (Fogging) পদ্ধতি ব্যবহার করে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা কমানো যেতে পারে।
শেডে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের জন্য ফ্যান বা এক্সহস্ট ফ্যান ব্যবহার করুন।
শেডের আশেপাশে গাছপালা থাকলে তা ছায়া দেয়, প্রয়োজনে শেডের চারপাশে শেড-নেট (Shade Net) ব্যবহার করুন।
গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির জন্য ২৪ ঘণ্টা ঠান্ডা ও পরিষ্কার পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
পানির পাত্রের সংখ্যা বাড়িয়ে দিন এবং নিয়মিত পরিষ্কার করুন।
পানির সাথে ইলেকট্রোলাইট (Electrolytes), স্যালাইন, বা ভিটামিন-সি মিশিয়ে খাওয়ালে তাপপ্রবাহের ধকল কমবে।
দিনের উষ্ণতম সময়ে (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা) খাবার দেওয়া বন্ধ রাখুন বা কমিয়ে দিন। ভোরবেলা বা সন্ধ্যার পর যখন তাপমাত্রা কম থাকে তখন খাবার দিন।
তীব্র গরমে গবাদিপশুকে গোসল করান অথবা ভেজা চট দিয়ে গা মুছে দিন।
খামারের ঘনত্ব কমিয়ে ফেলুন। গাদাগাদি করে থাকলে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে।
হাঁস-মুরগির ক্ষেত্রে লিটার বা মেঝে শুকনো রাখুন। ভেজা লিটার থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস তৈরি হয়ে সমস্যা বাড়তে পারে।
তাপপ্রবাহের সময় পশুপাখিকে কোনো ধরনের টিকা (Vaccination) বা স্থানান্তর (Transportation) করা থেকে বিরত থাকুন।
গবাদিপশু বা হাঁস-মুরগি হাঁসফাঁস করলে বা ঝিমিয়ে পড়লে দ্রুত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।